গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গুলি করে এক বন্ধুকে হত্যা এবং অন্যজনকে আহত করার ঘটনায় গ্রেপ্তার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কিশোর কুমারকে রিমান্ডে নিতে চেয়েছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকেলে গাজীপুর আদালতে কিশোরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, এএসআই কিশোর কুমার হত্যাকাণ্ডটি যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে করেছেন, তার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে। আরও তদন্ত করার জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, এএসআই কিশোর কুমার হত্যাকাণ্ডটি যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে করেছেন, তার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে। আরও তদন্ত করার জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহে এএসআই কিশোর কুমার গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার কুতুবদিয়া এলাকার একটি পতিত জমিতে তাঁর বন্ধু মো. শহিদকে গুলি করে হত্যা করেন। গুলিতে আরেক বন্ধু মহিম উদ্দিন (৩২) আহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, মহিমকে হত্যা করতেই গুলি চালান কিশোর। এতে মহিম গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হলেও মারা গেছেন তাঁর সঙ্গে থাকা শহিদ। শহিদ কালিয়াকৈর উপজেলার সীমান্তবর্তী টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের আজগানা গ্রামের সবুর উদ্দিনের ছেলে। গুলিবিদ্ধ মহিম উদ্দিন একই এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।
প্রতীকী ছবি। এএফপিগাজীপুরের কালিয়াকৈরে গুলি করে এক বন্ধুকে হত্যা এবং অন্যজনকে আহত করার ঘটনায় গ্রেপ্তার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কিশোর কুমারকে রিমান্ডে নিতে চেয়েছে পুলিশ। আজ শনিবার বিকেলে গাজীপুর আদালতে কিশোরের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। আদালত তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার জানান, এএসআই কিশোর কুমার হত্যাকাণ্ডটি যে পূর্বপরিকল্পিতভাবে করেছেন, তার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ পুলিশের কাছে রয়েছে। আরও তদন্ত করার জন্য রিমান্ড চাওয়া হয়েছে।
স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধুর পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে—এমন সন্দেহে এএসআই কিশোর কুমার গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার কুতুবদিয়া এলাকার একটি পতিত জমিতে তাঁর বন্ধু মো. শহিদকে গুলি করে হত্যা করেন। গুলিতে আরেক বন্ধু মহিম উদ্দিন (৩২) আহত হয়েছেন। পুলিশ বলছে, মহিমকে হত্যা করতেই গুলি চালান কিশোর। এতে মহিম গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হলেও মারা গেছেন তাঁর সঙ্গে থাকা শহিদ। শহিদ কালিয়াকৈর উপজেলার সীমান্তবর্তী টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের আজগানা গ্রামের সবুর উদ্দিনের ছেলে। গুলিবিদ্ধ মহিম উদ্দিন একই এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালিয়াকৈর থানার পরিদর্শক মো. মনিরুজ্জামান জানান, গাজীপুর পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) কিশোর কুমার মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের গানম্যানের দায়িত্বে ছিলেন। স্ত্রীর সঙ্গে কিশোরের দীর্ঘদিন ধরে দাম্পত্য কলহ চলছিল। সম্প্রতি কলহের জেরে স্ত্রী ঢাকার বাসা থেকে বাবার বাড়ি চলে যান। এ কলহের কারণ হিসেবে কিশোর তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে বন্ধু মহিম উদ্দিনের পরকীয়া সম্পর্ক রয়েছে বলে সন্দেহ করেন। এরপর তিনি দীর্ঘদিন ধরেই মহিমকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী তিনটি গুলি অবৈধভাবে ক্রয় করেন।পুলিশ জানায়, গাঁজা সেবন ও আড্ডা দেওয়ার কথা বলে গত বৃহস্পতিবার রাতে মহিমকে স্থানীয় কুতুবদিয়া এলাকার একটি পতিত জমিতে আসতে বলেছিলেন কিশোর। পরে মহিম তাঁর বন্ধু শহিদকে নিয়ে সেখানে এসে অপেক্ষা করছিলেন। রাত পৌনে ১০টার দিকে কিশোর মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে উপস্থিত হয়ে কিছু বুঝে ওঠার আগেই পিস্তল দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি শুরু করেন। এতে মহিমের গায়ে দুটি এবং শহিদের বুকে একটি গুলি লাগে। কিন্তু শহিদ বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। আর মহিমের পেটের এক পাশে গুলিবিদ্ধ হওয়ায় প্রাণে বেঁচে গেছেন। গুলির শব্দ পেয়ে এলাকাবাসী ছুটে এলে কিশোর দৌড়ে পালিয়ে যান।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান আরও জানান, ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা ও অতিরিক্ত আরও দুটি গুলি উদ্ধার করেছে। সেই গুলি দুটি কিশোরের নামেই নথিভুক্ত করা। এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে আরও ৬টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁর কাছে থাকার কথা ৮টি গুলি। বাকি ৩টি গুলি হত্যার উদ্দেশ্যে কিশোর আগেই কিনে রেখেছিলেন। শনিবার বিকেলে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে কিশোরকে গাজীপুর আদালতে পাঠানো হলে বিচারক তাঁকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

Post a Comment